
রাজ্যস্থানের রাজনৈতিক নাটক অব্যাহত। রাজ্যপাল পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে বলে অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে অভিযোগ জানালেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। এর পরই সরকারের দাবিতে সাড়া দিয়ে বিধানসভার অধিবেশন ডাকার অনুমতি দিলেন রাজ্যপাল কলরাজ মিশ্র।
তবে করোনা মহামারির কথা মাথায় রেখে কয়েকটি শর্ত দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বিবৃতিতে রাজস্থানের রাজ্যপাল দাবি করেছেন, ইচ্ছাকৃত ভাবে বিধানসভার অধিবেশন দেরিতে ডাকার কোনও উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না।
সচিন পাইলট এবং তাঁর অনুগামী বিধায়করা বিদ্রোহ করার পর থেকেই বার বার বিধানসভা অধিবেশন ডাকার জন্য রাজ্যপালের কাছে দাবি জানাচ্ছিল কংগ্রেস। কিন্তু সেই আবেদনে সাড়া দিচ্ছিলেন না রাজ্যপাল। মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট দাবি করেন, বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের চাপেই এমন আচরণ করছেন রাজ্যপাল।
[ আরও পড়ুন : মাস্ক না পরায় ছাগলকে থানায় টেনে নিয়ে গেল পুলিশ, অতপর ! ]
এই অবস্থায় এ দিন সকালেও অধিবেশন ডাকার জন্য সরকারের প্রস্তাব ফেরত পাঠান রাজ্যপাল। তার পরই সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ জানান গেহলট। অন্যদিকে কংগ্রেসের তরফে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছেও একটি স্মারকলিপি পাঠানো হয়।
তাতে অভিযোগ করা হয়, বিজেপি রাজস্থানে সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে। আর নিজের পদের গরিমার কথা ভুলে যথাযথ ভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করছেন না রাজ্যপাল কলরাজ মিশ্র। রাজস্থানের জট কাটাতে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপও দাবি করে কংগ্রেস।
এ দিন রাজ্যপাল বিধানসভা অধিবেশন শুরু করার অনুমতি দিয়েও দু’টি শর্তের কথা বলেছেন। প্রথমত করোনা মহামারি চলায় অধিবেশন শুরু করার আগে বিধায়কদের ২১ দিনের নোটিস দেওয়া যায় কি না। আর দ্বিতীয়ত, করোনা অতিমারির মধ্যে অধিবেশন ডাকলে কীভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হবে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন রাজ্যপাল।
[ আরও পড়ুন : দেশকে সুরক্ষিত রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে সিআরপিএফ : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ]
সুত্র: News18



