
রবীন মজুমদার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আম্পান দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়ে এবার রাস্তায় নামল দক্ষিণ ২৪ পরগণা কাকদ্বীপের বিজেপি নেতা কর্মীরা। আজ থেকে শুরু হলো পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির বাংলা বাঁচাও অভিযান কর্মসূচি। বিজেপির দলীয় সূত্রে জানা যায় পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির আজ থেকে শুরু হল বাংলা বাঁচাও কর্মসূচি।
এই কর্মসূচি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি প্রতিটি জেলায় জেলায় বাংলা বাঁচাও কর্মসূচি পালন করবে। প্রত্যেক জেলার মন্ডল থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি বুথে এই কর্মসূচি পালন করার দলীয় নির্দেশ ছিল আজ থেকে। তাই বিজেপির তরফ থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কাকদ্বীপ বিধানসভার অন্তর্গত বিজেপি মন্ডল সভাপতি মেঘনাথ দেবসর্মা এর নেতৃত্বে প্রায় ২ হাজার কর্মী সমর্থকদের একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিজেপির মন্ডল সভাপতি মেঘনাথ দেবসর্মা জানান- আজ থেকে বাংলা বাঁচাও অভিযান এর মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষকে শাসকদল তৃণমূল এর দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাগ্রত করা হবে। প্রত্যেকটি বাড়িতে বাড়িতে বাংলার জনগণকে আমরা মমতা ব্যানার্জির দুর্নীতি মুখোশ খুলে ধরবো। বাংলার মানুষ মমতা ব্যানার্জির অগণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে।
[ আরও পড়ুন : করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার চেতন চৌহান ]
রেশন দুর্নীতি ও তার সাথে আম্পান দুর্নীতির বিরুদ্ধে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে পরাস্ত করে পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে বিজেপি সরকার। মমতা ব্যানার্জির দুর্নীতি সরকার ২০২১ সালের বিধানসভায় একটিও সীট দখল করতে পারবে না।
একেতো লকডাউন সাধারন গরিব মানুষ সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছে, আম্ফান ঝড়ের ফলে গরিব মানুষদের কাঁচা বাড়ি গুলো এবং চাষবাস পুরো তছনছ হয়ে গেছে, মমতা ব্যানার্জি আমফানের ক্ষতিপূরণের নামে কিছু লিস্ট জারি করেছে, সেখানে দেখা যায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা কেউই ক্ষতিপূরণ পায়নি।
পরে দেখা যায় তৃণমূলের বুথ সভাপতি থেকে শুরু করে জেলা পরিষদের সদস্য থেকে শুরু করে এবং নেতা-মন্ত্রীরা ও ক্ষতিপূরণ পেয়েছে। অথচ ক্ষতিগ্রস্তরা কেউ ক্ষতিপূরণ পায়নি। সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করতে গিয়ে পুলিশের অত্যাচারের শিকার হচ্ছে। জেলার সমস্ত এলাকায় তৃণমূলের দুষ্কৃতী বাহিনী সাধারণ মানুষকে হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে, আন্দোলন করলেই জেলে যেতে হচ্ছে।
আর তাদের সিকিউরিটি হিসেবে মমতা ব্যানার্জির পুলিশ উর্দির ভিতরে তৃণমূলের পোশাক পড়ে তৃণমূলের চামচাগিরি করছে। বিজেপি এর প্রতিবাদে সরব হয়েছে। প্রশাসন ও পুলিশ সকলেই এই দুর্নীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। বিজেপি বিগত দিনে তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে লড়েছে, এই বাংলা বাঁচাও অভিযান এর মধ্য দিয়ে আম্ফান দুর্নীতি নিয়ে বিজেপি নতুন করে বুথস্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছে।
[ আরও পড়ুন : রাজভবনে ধনকড়-মমতা বৈঠক ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে ]
তাতে যদি বিজেপি কর্মীদের শহীদ হতে হয় সাধারণ মানুষের জন্য বিজেপি লড়বে। এই বাংলাকে বাঁচাতে দিকে দিকে বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলী দুষ্কৃতী হামলার শিকার হচ্ছেন ও শহীদ হচ্ছেন। পুলিশ নিশ্চুপ দর্শক হয়ে তৃণমূলের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা বিজেপি এবং পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ একসাথে তৃণমূলের গুন্ডা রাজ কে ২০২১ সালে খতম করব।



