ওপার বাংলা

দুধের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পুত্রবধূকে ধর্ষণ, শ্বশুর গ্রেপ্তার

দুধের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পুত্রবধূকে ধর্ষণ, শ্বশুর গ্রেপ্তার - West Bengal News 24

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর মিলন মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার বিহার ইউনিয়নের বিহার উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। গতকাল রোববার রাত ১০টার দিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের মিলন মিয়ার ছেলে সাব্বির হোসেনের সঙ্গে পাশের গ্রামের এক মেয়ের সঙ্গে তিন বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামী ট্রাকের হেলপার হিসেবে কাজ পান। ট্রাকে ডিডটি করার কারণে গৃহবধূর স্বামী ২০/২১ দিন পরপর বাড়িতে আসেন। এই সুযোগে শ্বশুর মিলন মিয়ার কু-দৃষ্টি পড়ে পুত্রবধূর দিকে। ছেলে বাড়িতে না থাকার সুযোগে মিলন মিয়া মাঝে মধ্যেই গভীর রাতে পুত্রবধূর ঘরে ঢুকে তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। এতে পুত্রবধূ জেগে উঠলে শ্বশুর পালিয়ে যেতেন।

আরও পড়ুন : ধর্ষণের প্রতিবাদে উত্তাল ঢাকা, বিক্ষোভ-স্লোগানে উত্তাল রাজপথ

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, পরে কৌশল পরিবর্তন করে মিলন মিয়া তার পুত্রবধূকে গাভীর দুধের সঙ্গে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দিতেন। তখন পুত্রবধূ দুধ পান করে গভীর ঘুমে অচেতন হয়ে পড়লে শ্বশুর তার কক্ষে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণ করতেন। এরপর পুত্রবধূ অনেক দেরি করে ঘুম থেকে উঠতেন এবং তার পরিধেয় বস্ত্র এলোমেলো হয়ে থাকতো। বিষয়টি পুত্রবধূর সন্দেহ হলে তিনি নিজেই কৌশলে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন। ‍এক পর্যায়ে গত ২৬ জুলাই গৃহবধূ শয়ন কক্ষে ঘুমানোর ভান করে থাকলে গভীর রাতে শ্বশুর মিলন মিয়া তার শয়ন কক্ষে আসেন। এরপর তাকে ধর্ষণ করলে ওই গৃহবধূ কৌশলে তা মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সমঝোতার চেষ্টা করা হয় কিন্তু এর কোনো প্রতিকার না পেয়ে ওই গৃহবধূ গতকাল রোববার সন্ধ্যায় থানায় মামলা দায়ের করেন।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম বদিউজ্জামান বলেন, ‘মামলা দায়েরের পর পুলিশ রাতেই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। পরে ভিডিও চিত্রটি থানা পুলিশের কাছে জমা দিয়েছেন ওই গৃহবধূ। সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে মিলন মিয়াকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

সুত্র : আমাদের সময়

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য