
হরিদেবপুরে খুনের ঘটনার তদন্তি নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে পুলিশের হাতে। হরিদেবপুরের অয়ন মন্ডল খুনের ঘটনায় শেষরক্ষা হল না। মৃতদেহ লোপাটের চেষ্টা করেও ধরা পরে গেল খুনি পরিবার।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অয়নের সঙ্গে মা ও মেয়ের গোপন মুহূর্তের ভিডিও এলাকায় মোবাইলে ছড়িয়ে পড়েছিল। তাই অয়নের বান্ধবীর বাবা দীপক জানা বছর দেড়েক আগে স্ত্রী ও মেয়েকে কিছুদিনের জন্য মেদিনীপুরের বাড়িতে পাঠিয়েছিলেন। কিন্ত প্রেম যে কাঁঠালের আঁঠা। তাই সেখান থেকে ফিরে আসতেই ফের জমে ওঠে ত্রিকোণ প্রেম।
আরও পড়ুন :: বাংলার একমাত্র নীল দুর্গা পুজো কৃষ্ণনগরে
যদিও প্রেমিকের দুই প্রেমিকা মা রুমা জানা ও মেয়ে প্রীতি জানা। তাই তাদের মধ্যে সম্পর্ক ক্রমশ তিক্ত হতে শুরু করে। ৬ তারিখ রাত্রি দুটো নাগাদ অয়নের প্রেমিকা, প্রেমিকার ভাই ও বাবা ঠাকুর দেখে বাড়ি ফেরেন। সেই সময় তারা অয়ন ও প্রেমিকার মাকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন। এই নিয়ে পরিস্থিতি চরমে উঠলে ইঁট ও রড দিয়ে অয়নকে তারা এলোপাথাড়ি মারধর করতে শুরু করেন। ঘটনাস্থলে মারা যায় অয়ন।

এরপর প্রমাণ লোপাট করতে ওই রাতেই একটি গাড়িতে করে অয়নের দেহ মগরাহাট থানা এলাকার একটি নির্জন জায়গাতে ফেলে দেওয়া হয়। দ্বাদশীর দিন মগরাহাটে তার দেহ উদ্ধার হয়। ওই দিনই গ্রেপ্তার করা হয় অয়নের বান্ধবী, তাঁর মা, ভাইকে। শনিবার সকালে গ্রেপ্তার করা হয় বান্ধবীর বাবা, ভাইয়ের দুই বন্ধু ও গাড়িচালককে।
পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে আরও অনেকেই যুক্ত রয়েছে। ধৃতদের আলিপুর আদালতে তোলা হলে ৫ জনকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। নাবালক ভাইকে জুভেনাইল আদালতে তুলেছে পুলিশ। ওড়িশা থেকে অপর এক অভিযুক্ত ধৃত দ্বীপজ্যোতি সাউকে কলকাতায় নিয়ে আসে পুলিশ।



